রোববার (৩ মে) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
ওইদিন সকালে বাড্ডার নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মিমোকে দেখতে পান তার বাবা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
ঘটনার পর মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা ও কথোপকথন বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হয়, তার সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। সর্বশেষ ২৭ এপ্রিল রাত ১টার দিকে তাদের মধ্যে ভিডিও কলে কথোপকথন হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত হতে পারেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সূত্র: সংশ্লিষ্ট মামলা নথি ও পুলিশ।