বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের সামনে নিহতের শতাধিক স্বজন চিকিৎসকের শাস্তির দাবী করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা হসপিটালে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বাধা দেয়।
নিহতের ভাই মো: কামাল হোসেন বলেন, মঙ্গলবার রাতে আনোয়ার হোসেন (নিহত রোগী) গ্যাসফরম করলে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাতেই আমার ভাইয়ের (রোগী) শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে আমরা ভাইকে বাড়ি নিয়ে যেতে চাই।তবে ডাক্তার আরও একদিন রোগীকে হসপিটালে রাখতে বললে আমি বাড়ি চলে যাই।আজ সকালে আমার ভাই (রোগী) নিজে হেটে বাথরুমে যায়।দুপুরে স্বাভাবিক ভাবে খাবার খেয়ে ছিলো। দুইটার পরে ডাক্তার কুতুবুদ্দিন (আরএমও) আমার ভাইয়ের শরীরে ইনজেকশন দিলে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। আমরা ডাক্তার কে বিষয়টি জানালে তিনি রোগী কে ফরিদপুর নিয়ে যেতে বলে। আমরা অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করতে গেলে রোগী মারা যায়। এর পর থেকে ওই ডাক্তার কে আর হসপিটালে পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা: কুতুবউদ্দিন এর মন্তব্য নিতে হসপিটালে গেলে তাকে পাওয়া যায় নাই।পরে তার মোবাইলে ফোনে কল দিলে তার বন্ধ পাওয়া যায়।
পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিউটি রত ডা:মো: ইনজামামুল হক শিহাব বলেন হসপিটালে রোগীর মৃত্যু কে কেন্দ্র করে বাইরে রোগীর স্বজনরা হট্টগল শুরু করে। এতে হসপিটালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীসহ আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। বিষয়টি আমার উদ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাই। পরে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।