অভিযুক্ত জাফরুল্লাহ (৫০) ঠাকুরগাঁ জেলা সদরের বড়গা এলাকার অছিম উদ্দিন এর ছেলে।
রোববার (১০ মে) সকাল ১১ টার দিকে জেলা একাউন্টস এন্ড ফিনান্স অফিস থেকে টাকা গ্রেফতার করা হয় । ওই অফিসের এক অডিটরের কাছে ঘুষ দাবি করছিলেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি বলেন জাফরুল্লাহ বিভিন্ন সরকারি অফিসে নিজেকে দুর্নীতি দমন কমিশন( দুদক) কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জাফরুল্লাহ নিজেকে দুদকের কর্মকর্তা পরিচয়ে ওই অফিসের কৌশিক নামের এক অডিটরের খোঁজ করেন এবং তার মোবাইল নাম্বার নেন। পরে অডিটর কৌশিককে ফিন্যান্স বাইরে ডেকে নিয়ে গিয়ে মোবাইলে অপর এক দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক ) কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী ব্যক্তির সাথে কৌশিকের কথা বলান। ওই ব্যক্তিও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্মকর্তার একজন বড় কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অডিটর কৌশিককে বিরুদ্ধে দুর্নীতির বড় অভিযোগ আছে বলে জানান। ওই সব সমস্যা সমাধানের জন্য জাফরুল্লাহর সঙ্গে কথা বলতে বলেন। জাফরুল্লাহ র এসব কর্মকাণ্ডে সন্দেহ হলে তাকে ফিন্যান্স অফিসে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জাফরুল্লাহ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের পরিচয় দিলে তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
অপরদিকে এ খবর পেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রংপুরের সহকারী পরিচালক এ কে এম নুর আলম সিদ্দিক ঘটনাস্থলে আসেন । এ সময় তিনি ভুয়া দুদক কর্মকর্তা জাফরুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, আগামীকাল ১১ মে গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই গণশুনানিকে কেন্দ্র করে একটি চক্র প্রতারণার মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে থাকতে পারে বলে তিনি জানেন। একই সাথে তিনি এই বিষয়টি দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন।
এ ব্যাপারে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।