তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য আমাদের শিখিয়েছে কিভাবে মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করতে হয়, কিভাবে অন্যের প্রতি সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে হয়। তাঁর লেখনীতে যেমন দেশপ্রেমের গভীর আহ্বান রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিশ্বমানবতার এক অসাধারণ বাণী। বাংলা সাহিত্যকে তিনি যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তা শুধু বাঙালি জাতির জন্য নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য গৌরবের বিষয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সমাজে বিভেদ, হিংসা ও অসহিষ্ণুতার যে অশুভ ছায়া দেখা যাচ্ছে, সেখানে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য নতুন প্রজন্মকে সত্য, ন্যায়, উদারতা ও সম্প্রীতির পথে চলার শক্তি জোগায়। তাঁর সাহিত্য মানুষকে কুসংস্কার ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তচিন্তা ও মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর প্রতিটি সৃষ্টি আজও আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শনের সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত করতে হবে। কারণ, রবীন্দ্রচর্চার মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, উদার ও সংস্কৃতিমনা সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তাঁর সাহিত্য আমাদের কেবল আনন্দ দেয় না, বরং জীবনের গভীর দর্শন ও মানবতার প্রকৃত শিক্ষা প্রদান করে।
তিনি আজ শনিবার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। অনুষ্ঠানে আলোচ্য বিষয় ছিলো রবীন্দ্রনাথ ও অসাম্প্রদায়িকতা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম।
স্মারক বক্তা ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান।
রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতার সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন খুলনা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতীম কুমার চক্রবর্তী, সহকারী কমিশনার মোঃ নাফিস, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক। রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মীর,
কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ারুল কুদ্দুস, শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাঃ আবুল কাশেম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান।
সঞ্চালনা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপার ভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী সুখেন রায়, খুলনা জেলা মহিলাদলের সভাপতি এ্যাডঃ তসলিমা খাতুন ছন্দা, জেলা কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহানাজ ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান আরিফ, আনিসুর রহমান বিশ্বাস, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হূমায়ূন কবীর, এসএম আঃ মালেক, মিকাইল বিশ্বাস, খান আনেয়ার হোসেন, মহিউদ্দীন মিন্টু, দিদারুল ইসলাম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, মহিতোষ ভট্টাচার্য, উপজেলা যুব মহিলাদলের সদস্য সচিব শারমিন আক্তার আঁখি, আরিফ মোল্যা, জাহিদুল ইসলাম রবি, মনিরা বেগম, বিউটি পারভিন প্রমূখ।
আলমগীর হান্নান, খুলনা : খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর সাহিত্য কেবল বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অলংকার নয়, বরং মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, শান্তি ও সৌন্দর্যের এক চিরন্তন দিকনির্দেশনা। তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগে যুগে বাঙালির মনন, চিন্তা ও চেতনার গভীরে আলো জ্বালিয়ে এসেছে। কবিগুরু তাঁর কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধের মাধ্যমে এমন এক মানবিক সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, যেখানে মানুষে মানুষে কোনো বিভেদ থাকবে না, ধর্ম, বর্ণ, জাতি কিংবা মতের ভিন্নতা মানুষকে আলাদা করতে পারবে না।
তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য আমাদের শিখিয়েছে কিভাবে মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করতে হয়, কিভাবে অন্যের প্রতি সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে হয়। তাঁর লেখনীতে যেমন দেশপ্রেমের গভীর আহ্বান রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিশ্বমানবতার এক অসাধারণ বাণী। বাংলা সাহিত্যকে তিনি যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তা শুধু বাঙালি জাতির জন্য নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য গৌরবের বিষয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সমাজে বিভেদ, হিংসা ও অসহিষ্ণুতার যে অশুভ ছায়া দেখা যাচ্ছে, সেখানে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য নতুন প্রজন্মকে সত্য, ন্যায়, উদারতা ও সম্প্রীতির পথে চলার শক্তি জোগায়। তাঁর সাহিত্য মানুষকে কুসংস্কার ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তচিন্তা ও মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর প্রতিটি সৃষ্টি আজও আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শনের সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত করতে হবে। কারণ, রবীন্দ্রচর্চার মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, উদার ও সংস্কৃতিমনা সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তাঁর সাহিত্য আমাদের কেবল আনন্দ দেয় না, বরং জীবনের গভীর দর্শন ও মানবতার প্রকৃত শিক্ষা প্রদান করে।
তিনি আজ শনিবার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। অনুষ্ঠানে আলোচ্য বিষয় ছিলো রবীন্দ্রনাথ ও অসাম্প্রদায়িকতা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম।
স্মারক বক্তা ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান।
রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতার সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন খুলনা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতীম কুমার চক্রবর্তী, সহকারী কমিশনার মোঃ নাফিস, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক। রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মীর,
কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ারুল কুদ্দুস, শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাঃ আবুল কাশেম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান।
সঞ্চালনা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপার ভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী সুখেন রায়, খুলনা জেলা মহিলাদলের সভাপতি এ্যাডঃ তসলিমা খাতুন ছন্দা, জেলা কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহানাজ ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান আরিফ, আনিসুর রহমান বিশ্বাস, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হূমায়ূন কবীর, এসএম আঃ মালেক, মিকাইল বিশ্বাস, খান আনেয়ার হোসেন, মহিউদ্দীন মিন্টু, দিদারুল ইসলাম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, মহিতোষ ভট্টাচার্য, উপজেলা যুব মহিলাদলের সদস্য সচিব শারমিন আক্তার আঁখি, আরিফ মোল্যা, জাহিদুল ইসলাম রবি, মনিরা বেগম, বিউটি পারভিন প্রমূখ।