স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুন নিজ বাসভবনে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েন ফাজিওলি। এর মাত্র একদিন আগেই তিনি সান্তা ফে কাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন। ঘটনার পর পরই তাঁকে দ্রুত হোসে মারিয়া কালেন হাসপাতালে ভর্তি করা করা হয়। তবে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ২০ দিন পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই তরুণ ফুটবলার।
ফাজিওলি’র এই আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে তাঁর ক্লাব কোলন দে সান জাস্তো। এক আবেগঘন বিবৃতিতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘আমাদের প্রথম বিভাগের ফুটবলার লাউতারো ফাজিওলির অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’
তরুণ এই ফুটবলারের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ক্লাবটি তাদের এক সপ্তাহের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে। যার ফলে সান্তা ফে কাপের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচেও মাঠে নামবে না দলটি।
সেন্ট্রাল সান কার্লোসের বিপক্ষে যে ম্যাচটি ফাজিওলি শেষ খেলেছিলেন, সেখানে তাঁর মধ্যে অসুস্থতার কোনো লক্ষণই ছিল না বলে জানিয়েছেন ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হোসে লুইস রেপেতো। তিনি বলেন, ‘সোমবার সকালে ও প্রথম অসুস্থ বোধ করে। অথচ রবিবারের ম্যাচে ও পুরো সুস্থ ছিল। ম্যাচ জিতে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করার পর সতীর্থ ও কোচিং স্টাফদের সঙ্গে ও ভীষণ আনন্দ করেছিল। এত দ্রুত সব শেষ হয়ে যাবে, কেউ ভাবেনি।’
তরুণ এই ফুটবলারের অকাল প্রয়াণে সান্তা ফে ফুটবল লিগও গভীর শোক প্রকাশ করেছে। কয়েক দিন আগেও যে ফুটবলার সতীর্থদের সঙ্গে জয়ের উল্লাসে মেতেছিলেন, তাঁর এমন আকস্মিক চলে যাওয়া যেন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না আর্জেন্টিনার স্থানীয় ফুটবল অঙ্গন।