বিসিক ও বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ইতোমধ্যে একটি ক্রেডিট সংস্থার মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকার ঋণ সুবিধা চালু করা হয়েছে। “আমাদের লক্ষ্য এই তহবিলকে ধাপে ধাপে ২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা, যাতে তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোক্তারা সহজে পুঁজি পেতে পারেন,”—বলেন তিনি।
দেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলাদেশের মাত্র ১৫ শতাংশ অর্থনীতি আনুষ্ঠানিক খাতে অন্তর্ভুক্ত, বাকি ৮৫ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাত—যার মূল চালিকাশক্তি এমএসএমই উদ্যোক্তারা। তিনি আরও বলেন, বড় উদ্যোক্তাদের তুলনায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ পরিশোধের হার অনেক বেশি এবং তাদের জন্য তুলনামূলক কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
নববর্ষ উদযাপনের পরিবেশ নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন শিল্পমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আগে পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল নিরাপত্তা উদ্বেগ। এবার দেশবাসী অনেকটাই স্বাভাবিক ও উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপন করছে, যা ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।”
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম। এছাড়া বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা, বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং শিল্প সচিব ওবায়দুর রহমান।
সাত দিনব্যাপী এই বৈশাখী মেলায় বিসিকের কয়েকশ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত পণ্য ও কারুশিল্প নিয়ে অংশ নিয়েছেন।