প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অ্যাসেম্বলির নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিট আগে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিল।
এ সময় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম বিদ্যালয়ে পৌঁছালে কিছু ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে বেরিকেড সৃষ্টি করে। তারা প্রধান শিক্ষকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে এবং কেন দেরিতে আসেন ও কেন শিক্ষার্থীরা বাইরে অবস্থান করছে এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলে।
প্রধান শিক্ষক জানান, বিদ্যালয় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী খোলা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হয়ে গেট খুলে শিক্ষার্থীদের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গাউস কাজী প্রধান শিক্ষককে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেনও শিক্ষার্থীদের সামনে মারতে উদ্যত হয়। এ সময় বিএনপি নেতা বলেন, আমি ইউনিয়নের সভাপতি আমার কথায় প্রতিষ্ঠান চলবে। আপনি
আমার কথা শোনেন না, বেয়াদব আমার কথা না শুনলে প্রতিষ্ঠান চালানো যাবেনা বলে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন ।
পরিস্থিতি একপর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে সহকর্মী শিক্ষকরা তাকে সান্ত্বনা দেন।
ঘটনার পর এলাকায় উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষকরা এ ধরনের আচরণে হতাশা প্রকাশ করেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝেও বিস্ময় ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।