মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে ফেনী সদর উপজেলার মধ্যরামপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- বাঁশখালী উপজেলার সরল এলাকার বাসিন্দা দিদার (৪০), আহমদ উল্লাহ (৪০), শহিদ (৪০) ও শহিদুল ইসলাম কালু (৩৫)।
আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম র্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের তাজুর ঘোনা এলাকায় লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের মালিকানা ও দখল নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। নিহত জিল্লুর রহমান (আবদুল আলীমের ছেলে) ওই এলাকার একটি লবণ ও মৎস্য সমিতির অধীনে মাসিক বেতনে পাহারাদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৩০ জুলাই রাতে ঘের দখলের উদ্দেশ্যে একদল সশস্ত্র লোক তাজুর ঘোনায় প্রবেশ করে জিল্লুরকে সরে যেতে হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলে বুকে তিনটি গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরদিন ৩১ জুলাই ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত জিল্লুরের বাবা বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব কর্মকর্তা জানান, মামলার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী সদরে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী মডেল থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।