এ সময় দখলকারীদের পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ০৪ঠা জুলাই বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন খালটি অবমুক্ত করতে গেলে স্থানীয়রা কিছুদিন সময়ের আবেদন জানান। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার একদিন আগেই দখলকারীরা স্বেচ্ছায় খালটি অবমুক্ত করেন।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারি এ খালটি অবমুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খালটি উন্মুক্ত হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু দেলভাষানি খাল নয়, এলাকার যেসব সরকারি খাল অবৈধভাবে দখল করে মাছ চাষ করা হচ্ছে, সেগুলোও দ্রুত অবমুক্ত করতে হবে। তাদের ভাষ্য, খালগুলো বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টিপাত, জোয়ার কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং আশপাশের এলাকার মানুষকে দীর্ঘ সময় পানিবন্দি অবস্থায় থাকতে হয়।
স্থানীয়রা সরকারি সব খাল দ্রুত দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।