স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফকিরহাট উপজেলার নিয়তির মোড় (নিয়তির মাঠ) এলাকায় মোটরসাইকেলযোগে যাওয়ার পথে একদল হেলমেট পরা দুর্বৃত্ত বাদল মোড়ল ও ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আবদুল্লাহ মোড়লের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই বাদল মোড়ল মারা যান এবং আবদুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন।
এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আজ সকাল থেকেই নিহতের সমর্থক ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা ও কর্মীরা ঘটনার প্রতিবাদে বারুইপাড়া বাজার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মিছিলের একপর্যায়ে কিছু লোক স্থানীয় জামায়াত অফিসের দিকে অগ্রসর হয় এবং সেখানে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ অফিস ভাঙচুর করে। অফিসের আসবাবপত্র ও সাইনবোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে হামলার সময় অফিসে কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
এ বিষয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তাদের দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই, অথচ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের রাজনৈতিক কার্যালয় লক্ষ্য করে এই হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ফকিরহাট ও সদর থানার পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, যেকোনো ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।
এ বিষয়ে বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, কৃষক দল নেতা হত্যার ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। একই সাথে অফিস ভাঙচুরের অভিযোগটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।