আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি ছিল ইরাকে মার্কিন স্থাপনাগুলোর ওপর এযাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী ও তীব্র আক্রমণ। ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, অন্তত তিনটি ড্রোন ও চারটি রকেট দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। হামলার ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে, একটি ড্রোন সরাসরি দূতাবাস প্রাঙ্গণের ভেতরে আছড়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দূতাবাস চত্বরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের পর সেখান থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উড়তে দেখা গেছে। হামলার সময় ইরাকের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং একটি ড্রোনকে মাঝপথে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগেও দূতাবাসে একটি রকেট হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরাকে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনীর ওপর চালানো ধারাবাহিক হামলার মধ্যে মঙ্গলবারের এই অভিযানটি ছিল সবচেয়ে সুসংগঠিত।
নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, অভিযানে অন্তত পাঁচটি উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে মার্কিন দূতাবাস বা পেন্টাগন থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আল-জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার পর বাগদাদের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ‘গ্রিন জোন’ এলাকায় সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।