বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ (০০০০ এলটি পরবর্তী সময় পর্যন্ত) মোট ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি ও ১৪ মার্চ ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এছাড়া ১৫ মার্চ (০০০০ এলটি-এর পর) আরও ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে— কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ২টি, গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ফ্লাইট।
তবে একই সময়ে সীমিত পরিসরে মধ্যপ্রাচ্যগামী কিছু ফ্লাইট পরিচালিতও হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পিত রয়েছে বলে জানা গেছে।
এর মধ্যে মাসকাটগামী ফ্লাইট রয়েছে বিভিন্ন দিনে। এছাড়া সৌদি আরবগামী ফ্লাইটও নিয়মিত পরিচালিত হয়েছে, যেখানে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দিনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে।
এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহগামী কিছু ফ্লাইটও চালু রয়েছে। ১৫ মার্চ ইউএইগামী মোট ২২টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ফ্লাইট পরিচালনা বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হবে।