শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ড্যাশবোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১৪১ জনের। তাদের মধ্যে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান।
এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেই তুলনায় চলতি মাসে অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ৪৪ জনের। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জন মারা যান ৮ সেপ্টেম্বর।
চলতি বছরের মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ১৪১ জনের মধ্যে নারী ৫২ দশমিক ১ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ।
ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই, পৌঁছালো ১৪১ জনে
ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৪৬, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ১৮ ও সিটি করপোরেশনের বাইরে আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে খুলনায় ২৫, ময়মনসিংহে ১৪, বরিশালে ১২, চট্টগ্রামে ১০, রাজশাহীতে ছয় এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে মারা গেছেন।
অন্যদিকে আক্রান্তের হিসাবে দেখা গেছে, গত আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৩ হাজার ৩৭৪ জন। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৭১ জন ভর্তি হন ৮ সেপ্টেম্বর।
এর আগে জানুয়ারিতে এক হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪ ও জুনে দুই হাজার ৯০৭ জন হাসপাতালে আসেন।
এ বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন।