শুধু সড়কেই সীমাবদ্ধ থাকেনি তাদের এই কল্যাণমুখী কাজ। স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তারা এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ওজুখানা এবং পানির ট্যাংকি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দেন।
বাসিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বানিয়াচং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলছিলেন, ‘বর্তমান যুগে যেখানে যুবসমাজ নানা বিভ্রান্তিতে পথ হারাচ্ছে, সেখানে এই পাঁচ তরুণের এমন নিঃস্বার্থ সামাজিক কাজ সমাজকে নতুন আলো দেখাচ্ছে।’
এস এম তারেক বললেন, ‘আমি প্রথমে একাই সড়কের মাইলফলক দৃশ্যমান করা ও মসজিদের ওজুখানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু করি। পরে এক এক করে আমার চার বন্ধু সম্পৃক্ত হয়। তারা হলো— আমার গ্রাম বাসিয়াপাড়ার মো. জীবন আমিন, মো. দানিয়াল হোসেন দিমান, মো. ফাহাদ আহমেদ এবং ঠাকুরাইন দিঘির পাড় গ্রামের তোফায়েল আহমেদ।’
কথা হলো এই চার যুবকের সঙ্গেও। তারা জানালেন, তারেকের কাজই তাদের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলেছে। সে কারণে তার নেতৃত্বে নিঃস্বার্থভাবে এসব সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত হয়েছেন তারা।
তারেক ও তার বন্ধুরা বলছিলেন, আমাদের সমাজে সবাই শুধু সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় থাকে। অথচ ছোট ছোট অনেক কাজ ইচ্ছে করলেই আমরা সম্মিলিতভাবে সমাধান করে ফেলা যায়। কারণ নিজের এলাকা ও সমাজকে সুন্দর রাখার দায়িত্ব আমাদেরই। কোনো প্রচার পাওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।