এই জয়ের ফলে তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর তালিকায় আপাতত পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে সেনেগাল। তবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে এখনো তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের দিকে। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হার নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হলো ইরাকের।
আজ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকে সেনেগাল। সেই আগ্রাসনের ফলও পেয়ে যায় খুব দ্রুত। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে সেকের হেড হাবিব দিয়ারার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জড়িয়ে যায় জালে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি সেনেগালের দ্রুততম গোল।
এরপর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে ইরাকের জন্য। ১৩তম মিনিটে ভিএআরের সাহায্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে রেবিন সুলাকাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। প্রথমে সাদিও মানেকে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেখানো হলেও পরে দেখা যায় তিনি গোলের নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট করেছেন। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইরাক। একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে থাকলেও প্রথমার্ধে সেনেগালকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। লিড নেওয়ার পর কিছুটা গতি হারিয়ে ফেলে তারা। সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা মেলেনি আর।
তবে বিরতির পর যেন অন্য এক সেনেগালকে দেখা যায় মাঠে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গতি বাড়িয়ে দেয় আফ্রিকান দলটি। বল কেড়ে নিয়ে কামারার দারুণ এক অ্যাসিস্ট থেকে ইসমাইলা সার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর একের পর এক আঘাতে ভেঙে পড়ে ইরাক। দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন পাপে গুয়ে। কিছুক্ষণ পর নিজের দ্বিতীয় গোল যোগ করে স্কোরলাইন আরও বড় করেন হাবিব দিয়ারা।
শেষদিকে বদলি নেমে জোড়া গোল করেন পাপে থিয়াও। আর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দূরপাল্লার অসাধারণ এক শটে জালে বল জড়িয়ে শেষ তুলির আঁচড় দেন ইলিম্যান এনদিয়ায়ে। বড় জয় তুলে নিয়ে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করেছে সেনেগাল।