স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জুলাইযোদ্ধাদের জন্য দেওয়া দায়মুক্তি (ইনডেমনিটি) অধ্যাদেশ আমরা গ্রহণ করব। এছাড়া বিগত সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছিল, সেগুলো পরিবর্তনের বিষয়ও আমরা আলোচনা করব। সব বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
এর আগে, জামায়াতে ইসলামের সিনিয়র নায়েব আমির মুজিবুর রহমান জানান, সংবিধান ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি কোনো অধ্যাদেশের জন্য তারা সুপারিশ করবে না।
গত ১৫ মার্চ, সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার দায়িত্ব এ কমিটিকে দেওয়া হয়েছে। কমিটি যাচাই-বাছাই করবে কোন অধ্যাদেশ বহাল থাকবে এবং কোনটি বাতিল হবে। পর্যালোচনা শেষে বিষয়গুলো কমিটিতে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এর আগে, ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন। সংসদের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এসব অধ্যাদেশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।