পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন মরদেহ প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বিকেল ৪টার দিকে বিজিবি সদস্য ও স্বজনরা মরদেহ গ্রহণ করেন।
আজিজুরের গ্রামের শাহানাবাদে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা শোকের ছায়ায় ভরে ওঠে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জানান, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৩ মে সীমান্তে ঘাস কাটতে গিয়ে আজিজুরকে ভারতের বিএসএফ ধরে নিয়ে যায়। স্ত্রী তাছকারা বেগম অভিযোগ করেন, “আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে আটক করে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, যার ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।”
ভারতের ইসলামপুরের একটি হাসপাতালে দীর্ঘ ১১ মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ২২ মার্চ আজিজুরের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজীর আহমেদ জানান, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।