সোমবার (স্থানীয় সময়) রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছ থেকে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ গ্রহণের পর অ্যান্ডি বার্নহ্যাম যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর তিনি বাকিংহাম প্যালেস থেকে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
চ্যানেল এইটটিনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি ও সমাজে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা, প্রবাসীবান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে তাদের সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানো হবে।’
এদিকে, লন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকেও অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
এর আগে, স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর রাজা সরকার গঠনের জন্য অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে আমন্ত্রণ জানান। সাংবিধানিক এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হন।
বিবিসি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বার্নহ্যাম ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে গিয়ে জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ দেন। এরপর তিনি নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের কার্যক্রম শুরু করেন।
বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার শেষ বক্তব্যে উত্তরসূরি অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সফলতা কামনা করে বলেন, ‘আমি সৌজন্যের সঙ্গে, হাসিমুখে এবং আমাদের অর্জন নিয়ে গর্বিত অবস্থায় বিদায় নিচ্ছি।’
নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম।