কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনেরা ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও সফল আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
আলোচনায় দল-মত, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি ও পেশার ঊর্ধ্বে উঠে চট্টগ্রাম কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে একটি সুশৃঙ্খল, সুন্দর ও সর্বজনীন উৎসব আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। উৎসবকে সফল ও অর্থবহ করতে উপস্থিত ব্যক্তিরা তাঁদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সম্মিলিতভাবে একটি শক্তিশালী টিম হিসেবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
চট্টগ্রাম উৎসব কমিটির নেতৃত্বে সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় উৎসবটি সফল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে উৎসবের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ ও প্রাথমিক পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বিষয় চূড়ান্ত করা হবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, সংগীত, কৃষ্টি, ঐতিহ্য, ইতিহাস ও গৌরবময় উত্তরাধিকারকে উৎসবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের স্বকীয় পরিচয়, ঐতিহ্য ও বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরতে বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় ও কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জাগির আলম, কাউন্সিলর সাইয়েদ ফিরোজ গানি, শওকত মাহমুদ দিপু, আখতারুল আলম, সুজন বড়ুয়া, মাসুদুর রহমান, সারোয়ার চৌধুরী, মনির মাহমুদ, মোহাম্মদ আলী রেজা, ডা. বিশ্বজিৎ রায়, মিরা বড়ুয়া, তানভীর খান, আসমা আলম, জাগলুল চৌধুরী, শওকত ওসমান, রায়হান চৌধুরী টিটু, আলীম উল্লাহ রাহাত, নুরুন্নবী আলী, গিয়াশ বড়ুয়া, নুরুল আলম, সাদিয়া আফরিন, নাবিল রহমান, সৈয়দ সাইফুল ইসলাম ও শামসুল রাসেল।
এছাড়া ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান আম্রসিয়ানের পক্ষে জুনায়েদ রিয়াজ ও ইমরান চৌধুরী এবং আইঅন টেলিভিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠান থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, অনুপম শাহা, চট্টগ্রাম সমিতির আঞ্জুমান আরা নিজামসহ আরও অনেকে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, সবার আন্তরিক সহযোগিতা, পরামর্শ ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ একটি স্মরণীয়, সফল ও সর্বজনীন আয়োজনে পরিণত হবে।