প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী অজয় কুমার মিত্র।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, উপজেলার ঢাকুরিয়া গ্রামে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ১ একর ৫৪ শতক জমি দীর্ঘ প্রায় ৯৩ বছর ধরে তাদের দখলে রয়েছে। তবে প্রতিপক্ষ মফিজুর গং ১৯২৭ সালের রেকর্ডে অবৈধভাবে নাম অন্তর্ভুক্ত করে এবং ২০০২ সালে আদালতে মামলা দায়ের করে, যা ২০১২ সালে খারিজ হয়। এরপরও বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করলে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হয়। কিন্তু এরপরও বিভিন্ন সময় হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত থাকে।
সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ সকাল ৯টার দিকে ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় মফিজুর ও তার সহযোগীরা দা, কুড়াল ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে অজয় কুমার মিত্রসহ তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন। ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় তাদের দেশত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। অন্যথায় হত্যা ও বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঘটনার পর তিনি মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং আহতরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান। সংবাদ সম্মেলনে অজয় কুমার মিত্র ছাড়াও অলোক কুমার মিত্র, অসীম কুমার মিত্র, রীতা মিত্র, সুপ্রীতি মিত্র, বন্ধন মিত্র, ঐশিক মিত্র, বাপন মিত্র, আনোয়ার হোসেন গাজী, তরিকুল ইসলাম, অনিমেষ বসুসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।