চিকিৎসকদের মতে, ভিটামিন বি১২ স্নায়ুতন্ত্র ও রক্তকণিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর ঘাটতি হলে শরীরে অক্সিজেন পরিবহন ব্যাহত হতে পারে, ফলে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় এবং রাতে শ্বাসকষ্ট বা হাঁসফাঁসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে এটি অনিদ্রা ও উদ্বেগের মাত্রাও বাড়াতে পারে।
অন্য দিকে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতিও ঘুমের ব্যাঘাত এবং শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অস্বস্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি কম, তাদের মধ্যে স্লিপ ডিসঅর্ডার, রাতে অস্থিরতা এবং হঠাৎ শ্বাস আটকে আসার অনুভূতি বেশি দেখা যায়।
বাংলাদেশের পুষ্টিবিদদের মতে, দেশের একটি বড় অংশের মানুষই অজান্তে এসব ভিটামিনের ঘাটতিতে ভুগছেন। পর্যাপ্ত সূর্যালোক না পাওয়া, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং প্রাণিজ খাদ্য কম খাওয়ার কারণে এই সমস্যা বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারারাত হাঁসফাঁশ বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করে ভিটামিনের মাত্রা নির্ধারণ করা দরকার।
ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি পূরণে মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আর ভিটামিন ডি-এর জন্য নিয়মিত রোদে থাকা, সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম এবং প্রয়োজন হলে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ উপকারী হতে পারে।
যদিও চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেন, নিজে নিজে ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই নিরাপদ।