১. আমলকী
চুলের স্বাস্থ্যের জন্য খাদ্যতালিকায় আমলকী একটি শক্তিশালী সংযোজন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি চুলের পুষ্টি জোগাতে এবং অকালপক্কতা কমাতে সাহায্য করে বলে বিশ্বাস করা হয়। আমলকি কাঁচা খেতে পারেন বা এর গুঁড়াও খেতে পারেন। এমনকী এটি বাহ্যিকভাবে চুলে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।
২. কালো তিল
বিশেষজ্ঞের মতে, কালো তিল মেলানোসাইটের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা চুলের স্বাভাবিক রঙ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। আপনি প্রতিদিন খাবারের পর এক টেবিল চামচের মতো তিল চিবিয়ে খেতে পারেন। তিলের লাড্ডু তৈরি করে খেতে পারেন কিংবা রুটি-পরোটার সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। চুলে তিলের তেল ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এতে ভিটামিন বি থাকার কারণে এটি মাথার ত্বককে পুষ্টি জোগাতে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
৩. কালো কিশমিশ
বিশেষজ্ঞরা আয়রন এবং ভিটামিন সি-এর প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে কালো কিশমিশ খাওয়ার পরামর্শ দেন, যা চুলের রঙ ও বৃদ্ধিতে সহায়ক পুষ্টি উপাদান। সেজন্য ৫টি কালো কিশমিশ সারারাত ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে সেগুলো খেয়ে নিন। নিয়মিত এভাবে খেলে উপকার পাবেন।
৪. প্রতিদিনের পুষ্টির জন্য কারি পাতা
কারি পাতা হলো আরেকটি প্রধান উপাদান যা নিয়মিত খেলে অকালে চুল পাকা রোধ হয়। বলা হয়ে থাকে যে, এটি ভিটামিন এ, বি, সি এবং বি১২-এর পাশাপাশি আয়রন ও ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ, যা চুল পড়া কমাতে এবং চুল পাকা বিলম্বিত করতে সাহায্য করতে পারে। আপনার দৈনন্দিন রান্নায় এই পাতা ব্যবহার করতে পারেন। ৫-১০টি পাতা পানিতে ফুটিয়ে পান করতে পারেন।