আলোচনা শেষে তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, "হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে আপাতত নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদান স্থগিত রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মীদের কাজে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
তত্ত্বাবধায়কের এই আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দিয়ে কাজে যোগ দেন। তবে তারা জানিয়েছেন, নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদান করানো হলে কিংবা দীর্ঘদিন কর্মরতদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হলে পুনরায় আন্দোলনে নামবেন। এছাড়া পুরোনো কর্মীদের চাকরি বহালের লিখিত নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের প্রধান সহকারী মোহিতুর রহমানের কক্ষে তালা বহাল থাকবে বলেও জানান তারা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চলমান জটিলতা এড়াতে আপাতত নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে পূর্বে কর্মরত কর্মচারীদের কাজে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে বলেও জানানো হয়।
উল্লেখ্য, আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত ৬৬ জনকে বাদ দিয়ে নতুন করে ৯৪ জন নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে বুধবার সকাল থেকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন বঞ্চিত কর্মচারীরা। রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর বৃহস্পতিবার তত্ত্বাবধায়কের আশ্বাসে তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে ফিরে যান।