শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের প্রতিবেদন ও মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর সিটিটিসি সাধারণ ডায়েরির সূত্রে পাওয়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালায়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা ও জননিরাপত্তায় আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সমবেত হওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. শিহাব উদ্দিন, মারজুক আহমেদ, সাইফুর রহমান খান, মো. রাশ্মি মিয়া, মো. কামিছুল ইসলাম, মো. সাজ্জাদ হোসেন, আফিফ আহমেদ, মো. মোহাইমিনুল হক, জাওজি চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন, সাব্বির আহমোদ ও জুনায়েদ আহমেদ।
মামলার নথিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি। পরে তাদের কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিভাইস পরীক্ষা করে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সন্ধান পাওয়া যায়।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, ওই গ্রুপের মাধ্যমে আসামিরা উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রচার করতেন এবং বিভিন্ন উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি মো. শিহাব উদ্দিন ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার বিরুদ্ধে এর আগে নরসিংদীর পলাশ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।