ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশটিতে স্থলপথে যেকোনো ধরনের আক্রমণ ওয়াশিংটনের জন্য ‘দ্বিতীয় ভিয়েতনাম যুদ্ধে’ পরিণত হতে পারে। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মিত্র দেশগুলোর কঠোর সমালোচনা করেছেন। মূলত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত রাখতে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করার জন্য ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করায় তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এখন পর্যন্ত কোনো দেশই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। অন্যদিকে ইরান দাবি করছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি তাদের শত্রু রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
বর্তমান এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলে বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই সম্ভাব্য যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি ন্যাটোর যুদ্ধ নয়। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার একটি কার্যকর যৌথ পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তাভাবনা করলেও এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের কথা জানাননি। এদিকে যুদ্ধের দামামায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের লাফ লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০০ ডলারের ওপরে লেনদেন হচ্ছে, যা যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর আগের তুলনায় ৪০ শতাংশেরও বেশি। তেলের এই আকাশচুম্বী দাম বিশ্বজুড়ে গভীর জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে।