আজ (২ জুলাই ২০২৬) বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সচিবালয়ের সভাকক্ষে অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে এই চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দ্বিপাক্ষিক এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে প্রফেসর ড. জুইলি জু (Xuili Xu), সিআইডিজিএ, সিএইউ এবং প্রফেসর ড. চুয়ানহং ঝাং (Chuanhong Zhang), সিআইডিজিএ, সিএইউ।
এছাড়াও সমঝোতা স্মারক চুক্তি ও হাব-এর স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির কৃষিতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল কাদের এবং এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষা ও উন্নত কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
এই চুক্তি মূলত দুই দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা পরিচালনা, উচ্চমানের গবেষণা প্রকাশনা, আধুনিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন এবং অন্যান্য পারস্পরিক উপকারী একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী ভিত্তি ও প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিশেষ করে সিএইউ-এর কলেজ অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোবাল এগ্রিকালচার (সিআইডিজিএ)-এর মাধ্যমে এই বিশেষ সহযোগিতা আরও ব্যাপক পরিসরে সম্প্রসারিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর পর্বের পরবর্তী অংশে অতিথিবৃন্দ বাকৃবির কৃষি অনুষদীয় ডিন অফিসের ৩য় তলায় গমন করেন এবং সেখানে এক জাঁকজমকপূর্ণ ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে "সিএইউ হাব ফর কান্ট্রি অ্যান্ড রিজিয়ন স্টাডিজ" (CAU Hub for Country and Region Studies)-এর আনুষ্ঠানিক ও গৌরবময় উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়, যা আগামী দিনে দুই দেশের কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার দিগন্তকে আরও প্রসারিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।