সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উদ্যোগে এরই মধ্যে বেশ কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় রাজধানীর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সংসদ সদস্য একরামুল বারী টিপু, সংসদ সদস্য বিথিকা বিনতে হোসাইনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
‘শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠন’-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. এনামুল করিম মিন্টু। সিনিয়র মহাসচিব হিসেবে রয়েছেন মোস্তফা কামাল। সম্প্রতি নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন মো. ফাহিম মুনতাসির মাসুম।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রাজধানী এবং প্রবাসেও কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সংগঠনটি।
সংগঠনের সভাপতি এনামুল করিম মিন্টু বলেন, “সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবসেবামূলক ও কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের জন্য কাজ করার পাশাপাশি প্রবাসেও সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করা হবে। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের মানবিক কাজে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অসহায় মানুষের সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বিত উদ্যোগ এবং জেলা ও প্রবাসী শাখাগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠন’ দেশের একটি কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী সামাজিক সংগঠন হিসেবে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।