তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনো পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্গত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় তুষারধসের পর আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বৃহস্পতিবার জানান, নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।
চীনের শতাধিক নাগরিক নিখোঁজ
এদিকে নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর প্রায় ১০০ জন চীনা নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, চীন নেপালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধারকাজে সহায়তা করছে। নেপালের প্রয়োজন অনুযায়ী জরুরি সহায়তা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে ভূমিধসের ঘটনায় ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক।
তবে নেপাল ও চীনের দেওয়া নিখোঁজের পরিসংখ্যানে একই ব্যক্তিদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ধ্বংসস্তূপের নিচে চলছে উদ্ধার অভিযান
আকস্মিক বন্যায় পানির সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোতে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি সেতু ভেসে গেছে।
উদ্ধারকারীরা দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জীবিতদের সন্ধানে কাজ করছেন। তবে দুর্গম ভূখণ্ড, যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনো চরম পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিস ফেডারেশনের প্রতিনিধিদলের প্রধান ডেভিড ফিশার।
সূত্র: বিবিসি