বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মজিবুর রহমান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালত।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা তিনটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেন। সিআইডির দাবি, ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সালমান শাহের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রেও তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ডন কীভাবে এবং কার প্ররোচনায় দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন, সে বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
গত ৯ আগস্ট ভোরে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন আশরাফুল হক ডন। ওই দিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
পরে ১২ আগস্ট তাকে আদালতে তোলা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। সেদিন ডনের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসায় মৃত অবস্থায় উদ্ধার হন। তার মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড—এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। মামলাটির তদন্তে নতুন করে অগ্রগতি নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।