নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর প্রধান সড়কসংলগ্ন বড় মার্কেট ও শপিংমলগুলো বন্ধ থাকলেও, মহল্লার ভেতরের অধিকাংশ ছোট-বড় দোকান, হোটেল ও ক্যাফে খোলা ছিল।
রাজধানীর নর্দা, কুড়িল, খিলক্ষেত ও উত্তরা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রগতি সরণির Jamuna Future Park বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রধান সড়কসংলগ্ন বেশির ভাগ বিপণিবিতানও সন্ধ্যা ৬টার পর তাদের কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। বিশেষ করে খিলক্ষেত ও উত্তরার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের আশপাশের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ লক্ষ্য করা গেছে।
তবে প্রধান সড়কের বাইরের আবাসিক এলাকার মহল্লাগুলোতে দোকানপাট খোলা ছিল। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের বিক্রি স্বাভাবিকভাবে চলছিল এবং স্থানীয় ক্রেতাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। হোটেল, ক্যাফে ও ছোটোখাটো খাবারের দোকানগুলোও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং ব্যাংক সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে লেনদেন বন্ধ করতে হবে। দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ফার্মেসি, হোটেলসহ জরুরি সেবার প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিধিনিষেধের বাইরে রয়েছে।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এই সময়সূচি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। তারা রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সকাল ১১টা থেকে দোকান খোলার প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের মতে, দেশের প্রায় ৭০ লাখ ব্যবসায়ী ও বিপুলসংখ্যক কর্মচারীর জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন।