নিহত আব্বাস সিকদার সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি আগে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর গত দুই দিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না আব্বাস। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক নিহতের চাচা শাহজালালকে ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর দেওয়া হলে শনিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে পুলিশ গিয়ে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
আব্বাসের এই রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের ধারণা, তাঁকে মারধর করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
ছেলের মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে আব্বাসের বাবা রফিক সিকদার বলেন, ‘‘আমি এলাকায় মেম্বার পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে এর প্রচারণামূলক পোস্টার দেওয়ার পর থেকেই একটি পক্ষ আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়। সেই নির্বাচনী শত্রুতা ও পূর্ববিরোধের জেরেই আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’’
বিষয়টি নিশ্চিত করে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
#
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
মোবাইল: 01714579734