আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি সাফ জানিয়ে দেন, জামায়াত কখনো এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না যাতে জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়। দল সর্বদা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যে দেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধা তথা প্রবাসীদের নানা সংকটের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে ইতিপূর্বে সংসদে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এগুলো শুধু আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে, যা প্রবাসীদের কোনো বাস্তব উপকারে আসেনি। প্রবাসীদের সুরক্ষায় একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করার জোরালো দাবি জানানো হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। অথচ এই টাস্কফোর্স গঠন করা হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সরাসরি উপকৃত হতেন এবং তাদের অনেক দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান হতো।
বর্তমান সংসদীয় ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, সংসদে কোনো প্রস্তাব উত্থাপন করার আগেই তা অন্ধভাবে সমর্থন করার এক ধরনের আগাম ইঙ্গিত দেওয়া হয়। সরকার যা-ই বলবে এবং ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে যা-ই উপস্থাপন করা হবে, তাতেই চোখ বন্ধ করে সমর্থন দেওয়ার জন্য সরকারি দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কোনো রকম গঠনমূলক আলোচনা বা চুলচেরা বিশ্লেষণ ছাড়াই কেবল সরকারের ইচ্ছায় সবকিছু পাস করিয়ে নেওয়ার এই প্রবণতা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য শুভ নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।