গ্রেফতারকৃতরা হলেন—আসমাউল ইসলাম, জিন্নাত আলী বিশ্বাস এবং হুমায়ুন কবির খান। তারা সবাই অধিদপ্তরের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (২ মে) সন্ধ্যায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার।
তিনি বলেন, শুক্রবার রাত আনুমানিক ২টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে দুর্বৃত্তরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোররুমে আগুন দেয়। এতে সেখানে থাকা ৭৩৫টি ল্যাপটপের মধ্যে ১৪০টি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, ২৯টি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ৩৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ৪৫০টি অক্ষত থাকে। বাকি ৮৩টি ল্যাপটপ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসমাউল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্টোররুমে আগুন দেওয়ার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেলে অভিযান চালিয়ে জিন্নাত আলী বিশ্বাস ও হুমায়ুন কবির খানকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন এবং অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক উল্লেখ করে একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এটি নাশকতা কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।