সংগঠনটির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত একটি সভায় মূখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান পে-স্কেল বাস্তবায়ন ও ঈদ পরবর্তী সাংগঠনিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সভায় মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, “১১ বছর ধরে নতুন পে-স্কেল না দেওয়ায় কর্মচারীরা ঋণে জর্জরিত এবং জীবন চালানো কঠিন হয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতি ও বেতন সমন্বয় না হওয়ায় রাতের আঁধারে রিকশা চালাতে বাধ্য হচ্ছেন কর্মচারীরা।”
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ৫ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হবে। একই সময়ে যেসব এমপি ও মন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পৌঁছানো হয়নি, তাদের কাছে তা সরাসরি প্রদান করা হবে।
পহেলা মে প্রেসক্লাব থেকে র্যালি করে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে সমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদি পে-স্কেল গেজেট বাস্তবায়ন না হয়, তবে এই সমাবেশ থেকে ধারাবাহিক বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।