শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের শ্রমিকদের দাবি, গত ৭ মে ঢাকার মহাখালীতে তাদের প্রধান কাউন্টার একতা পরিবহনের কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দেয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে গত ১ জুলাই বগুড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তারা বগুড়ায় একতা পরিবহনের কাউন্টারে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এ বিষয়ে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সামছুজ্জামান বলেন, কাউন্টার বন্ধের বিষয়টি মূলত দুই পরিবহনের মালিকপক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের ফল। তবে এর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে সাধারণ শ্রমিক ও যাত্রীদের। তিনি বলেন, দুই প্রতিষ্ঠানের হাজারো শ্রমিক আয়-রোজগার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে যাত্রীরাও চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সংকট সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, আগামী ৭ জুলাই দুই পক্ষের কাউন্টার চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল। তবে শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের শ্রমিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঢাকায় তাদের কাউন্টার চালু না হওয়া পর্যন্ত বগুড়ায় একতা পরিবহনের কাউন্টার খুলতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, মালিকপক্ষের বিরোধের বোঝা শেষ পর্যন্ত বহন করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রী ও শ্রমিকদেরই। দ্রুত সমাধান না হলে এই সংকট আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।