২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল চালুর পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় এটিই হতে যাচ্ছে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। টিফিন ভাতা বৃদ্ধির খবরে সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে মাসিক ২০০ টাকার টিফিন ভাতা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় বেতন কমিশন এ ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। এতে কর্মচারীদের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্ধিত টিফিন ভাতার সুবিধা মূলত ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীরা পাবেন।
টিফিন ভাতার পাশাপাশি নবম পে-স্কেলে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা, মাসিক শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা নির্ধারণ, সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু এবং প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ভাতা প্রদান।
অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পর্যায়ক্রমে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন শিগগিরই জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।