নিকলী হাওরের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা রিসোর্টে কেটেছে আমাদের রাতের মুহূর্তগুলো। উম্মুক্ত প্রকৃতির স্নিগ্ধ হাওয়া, বিশাল হাওরের বুকে ট্রলারের দোলুনি, হাওরের তাজা মাছের স্বাদ, আর বেড়িবাঁধ ধরে আনমনে হেঁটে বেড়ানো -সব মিলিয়ে সময় যেন থমকে গিয়েছিল। আড্ডা আর সুরের মূর্ছনায় মেতে উঠেছিল চারপাশ।
ভ্রমণের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর মুহূর্তটি ছিল, যখন সবাই মিলে হাওরের স্বচ্ছ জলে নেমে পড়া। আমাদের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর স্যার নিজে পানিতে নেমে সবাইকে আরও আনন্দিত ও উজ্জীবিত করে তোলেন।
এরপর হাওরের বুক চিরে জেগে থাকা নয়নাভিরাম নিকলী-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার রোড ধরে আমাদের যাত্রা এগিয়ে চলে। পথিমধ্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদের আগমন উপলক্ষ্যে মিঠামইন কলেজে আয়োজন করা হয়েছিল এক প্রাণবন্ত ও মনোজ্ঞ সুরের আসর।
সম্মানিত উপস্থিতি ও সুনিপুণ আয়োজন আনন্দঘন এই ভ্রমণে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে সফরকে উজ্জ্বল করেছিলেন: ড. আবুল বাশার খান, রেজিস্ট্রার, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, প্রফেসর ড. আবু বিন ইহসান, কনভেনার (ট্যুর কমিটি) ও ডিন, জীবন বিজ্ঞান অনুষদ, প্রফেসর ড. মো. আব্দুল্লাহ আল হুমায়ুন, বিভাগীয় প্রধান, ইইই বিভাগ, সৈয়দ হাবিব আনোয়ার পাশা, বিভাগীয় প্রধান, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ
সহ বিভিন্ন বিভাগের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
এই দারুণ এবং সফল সফরটির চমৎকার পরিকল্পনা, সমন্বয় ও নিখুঁত বাস্তবায়নের পেছনে মূল কারিগর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ট্যুর কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি এবং পাবলিক রিলেশন্স অফিসের প্রধান - সহকারী পরিচালক মোঃ মহিউদ্দীন মজুমদার (আনন্দ)।
মেঘ আর পানির মধ্যে এই দু’টি দিন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি পরিবারের হৃদয়ে এক সুন্দর স্মৃতি হয়ে জমা থাকবে চিরকাল।
লেখক: মহিউদ্দিন মজুমদার আনন্দ,সাংবাদিক ও প্রধান সহকারী পরিচালক ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি।