মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

জাতীয়

মুক্তিযুদ্ধের দায় এখনো জামায়াতের কাঁধে ভার হয়ে আছে

মুক্তিযুদ্ধের দায় এখনো জামায়াতের কাঁধে ভার হয়ে আছে

সম্প্রতি জাতীয় সংসদের ভেতরে ও বাইরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের মধ্যে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কে কী ভূমিকা পালন করেছিল—তা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।

গত ২৮ জুন সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় জামায়াতকে লক্ষ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, “১৯৭১ সালে আপনাদের ভূমিকার জন্য আপনারা কখনো ক্ষমা চাননি। যদি চাইতেন, তাহলে আজ আমাদের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, তার অনেকগুলোই থাকতো না। আপনারা যদি তা করতেন, তাহলে আপনাদের নেতা গোলাম আযমও বলতে পারতেন না, ১৯৭১ সালে তারা কোনো ভুল করেননি।”

জামায়াত নেতা পরওয়ার সরাসরি মির্জা ফখরুলের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, তারা শুধু “ভারতের আগ্রাসনের” বিরোধিতা করেছিলেন।

১ জুলাই জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পরওয়ার বলেন, “আমরা কোনো অপরাধ করিনি। তাহলে ক্ষমা চাইবো কেন?”

তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান আমলে সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশকে ভারতের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার জন্য অনেক রাজনৈতিক দল কী ভূমিকা পালন করেছিল, সেই বিষয়টি ওই দলের নেতারা জাতির সামনে তুলে ধরেছিলেন।”

দুই দলের শীর্ষ নেতাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই বিতর্ক শুনতে গিয়ে বহু বছর আগের একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে গেলো। সেই ঘটনার মূল বিষয় ছিল ১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা এবং এ বিষয়ে দলটির কী করা উচিত।

সময়টা ছিল ২০০৯ সাল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক সপ্তাহ পরের ঘটনা। ২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনী প্রচারে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

শহীদ পরিবারগুলো এবং প্রধানত বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো ১৯৮০-এর দশকের শুরু থেকেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়ে আসছিল। আওয়ামী লীগ এই দাবির প্রতি নৈতিক সমর্থন দিলেও যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির কেন্দ্রে ছিল না।

২০০৮ সালের নির্বাচনে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের অভিজ্ঞতা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চিন্তাধারায় বড় পরিবর্তন আনে। ফলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে ওঠে।

আবদুর রাজ্জাকের প্রশ্ন

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার কয়েক সপ্তাহ পর জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলেন। তিনি পেশাগত ও ব্যক্তিগতভাবে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তার সঙ্গে আলোচনার বিষয় ছিল জামায়াতের ভাবমূর্তি, দলের ভবিষ্যৎ এবং সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়।

তিনি কয়েকজনের মতামত জানতে চাইছিলেন। কারণ তার আশঙ্কা ছিল, এবার সত্যিই মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের জন্য জামায়াত নেতাদের বিচার শুরু হতে পারে। তবে আমাদের আলোচনা মূলত বিচার নিয়ে ছিল না। আবদুর রাজ্জাকের প্রধান উদ্বেগ ছিল জামায়াতের জনসম্মুখের ভাবমূর্তি।

আমি তাকে বলেছিলাম, জামায়াতের একটি বড় ধরনের ভাবমূর্তির সংকট রয়েছে, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছে গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে। দলটিকে একটি “স্বাভাবিক” রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখা হয় না, কারণ তাদের কাঁধে রয়েছে বিশাল এক বোঝা। সেই বোঝা হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা।

তিনি জানতে চাইলেন, জামায়াতকে একটি “স্বাভাবিক” রাজনৈতিক দলে পরিণত হতে হলে কী করতে হবে।

আমি দুটি পদক্ষেপের কথা বলেছিলাম। প্রথমত, জামায়াতকে স্বীকার করতে হবে যে, ১৯৭১ সালে তারা ভুল করেছিল এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত, ১৯৭১ সালে যারা দলের সক্রিয় নেতা ছিলেন, তাদের রাজনীতি থেকে সরে যেতে হবে এবং দল থেকেও সরিয়ে দিতে হবে।

রাজ্জাক জানতে চাইলেন, “দুটির মধ্যে একটি করলেই কি হবে না?”

আমি বলেছিলাম, “না। ১৯৭১ সালের দায় আপনাদের কাঁধে থেকেই যাবে। এই দুটি পদক্ষেপ না নিলে সেই বোঝা কখনো নামবে না এবং জামায়াতকে কখনো ‘স্বাভাবিক’ রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখা হবে না।”

আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে সেই কথোপকথনের প্রায় ১৮ বছর পর মির্জা ফখরুল ও গোলাম পরওয়ারের সাম্প্রতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে মনে হয়, ১৯৭১ সালের বিষয়ে জামায়াত এখনো তাদের পুরোনো অবস্থানেই অটল। ব্যাপারটি এমন যে, “কী ভুল করেছি, কীসের ক্ষমা”।

এই ১৮ বছরে দেশ ও বিশ্ব অনেক বদলে গেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। জামায়াতের পাঁচ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। গোলাম আযম ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী কারাগারে মারা গেছেন।

জামায়াতের আত্মবিশ্বাস

অন্যদিকে, নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে জামায়াত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তারা আবারও রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি চলে আসে।

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটি ৬৮টি আসন পেয়ে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়।

তবু গত কয়েক দিনের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান এখনো ১৯৭১ সালের মতোই। সেখানে কোনো অনুশোচনা নেই, কোনো অনুতাপ নেই।

গত দুই বছরে, বিশেষ করে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, জামায়াতের নেতারা হয়তো মনে করছেন যে, ১৯৭১ সালের ভুল স্বীকার না করাই তাদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। তাদের ধারণা, দল শুধু রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকেনি, বরং ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি জনসমর্থন পেয়েছে।

তারা হয়তো পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাফল্য দেখে মনে করেছেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৩১ শতাংশ ভোট পাওয়ার পর তারা হয়তো মনে করছে, ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

তাহলে আবার মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ কেন আসবে?

“আমরা কোনো অপরাধ করিনি। তাহলে ক্ষমা চাইব কেন?”—এই বক্তব্যই কার্যত দলটির মূল নীতিতে পরিণত হয়েছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য থেকে মনে হয়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তাদের কর্মকাণ্ডের পক্ষে যে ভাষা ব্যবহার করেছিল, জামায়াত এখনো সেই একই ভাষা ব্যবহার করছে। “অনেক রাজনৈতিক দলের” কর্মকাণ্ডের আড়ালে বা সঙ্গে জামায়াতের ভূমিকা মিশিয়ে দিয়ে তিনি দলটির দায় কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছেন।

পরওয়ার মুক্তিযুদ্ধকে “অর্ধশতাব্দী আগের মীমাংসিত বিষয়” হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, এটি আবার সামনে আনা জাতির মধ্যে “বিভ্রান্তি” তৈরি করছে।

কিন্তু বাস্তবেই কি তা-ই?

১৯৭১ সালের ‘মীমাংসা’

জামায়াতে ইসলামী চায় মানুষ বিশ্বাস করুক যে, ১৯৭১ সালের ঘটনা ছিল শুধুই “ভারতের আগ্রাসন”। তারা চায় মানুষ মনে করুক, যারা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, তারা কেবল পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষা এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করাও তারা সেই যুক্তির অংশ হিসেবে দেখাতে চায়। কিন্তু সমস্যাটা ঠিক এখানেই।

এই ব্যাখ্যার ভিত্তিতে কোনো “মীমাংসা” কখনো হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের বিষয়টি অবশ্যই মীমাংসিত—তবে পরওয়ার যেভাবে বলছেন, সেভাবে নয়।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কোনো বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফল ছিল না। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করে, যা ছিল পরিকল্পিত গণহত্যার সূচনা। এর পরপরই সারা দেশে প্রতিরোধ ছড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের কবর রচিত হয় এবং পরদিন ২৬ মার্চ জন্ম নেয় বাংলাদেশ। এই প্রতিরোধের পেছনে কোনো বিদেশি ষড়যন্ত্র ছিল না।

মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাংলাদেশের মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম—বাংলালি ও মানুষ হিসেবে টিকে থাকার লড়াই। সেই সংগ্রামে জামায়াতে ইসলামী শুধু শত্রুর পক্ষ নেয়নি; তারা বাঙালি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল।

১৯৭১ সালে জামায়াত পূর্ব পাকিস্তানের মৃতদেহ পুনরুজ্জীবিত করতে চেয়েছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল বাঙালি সংস্কৃতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মকে ধ্বংস করা। তারা শুধু রাজনৈতিক ভুল করেনি, অপরাধ করেছে। এটাই ১৯৭১ সালের প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস।

জামায়াতের চলমান সংকট

জামায়াতে ইসলামীর সমস্যা হলো, তারা ১৯৭১ সালের অপরাধ কখনো স্বীকার করেনি এবং এখনো করার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। স্বীকারোক্তি না থাকলে অনুতাপ আসবে কোথা থেকে?

জামায়াত এখনো সেই অপরাধের দায় বহন করতে প্রস্তুত, যে দায় নিয়ে ১৮ বছর আগে ঢাকার তৎকালীন শেরাটন হোটেলের রেস্তোরাঁয় ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেরই মূল্য দিতে হয়। এই সিদ্ধান্তের মূল্য তাদের প্রতিদিন, প্রতি মাসে এবং প্রতি বছর দিতে হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দিতে হবে।

সংসদে মির্জা ফখরুলের বক্তব্যকে জামায়াত হয়তো সস্তা রাজনৈতিক আক্রমণ হিসেবে উড়িয়ে দিতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে উত্তপ্ত বক্তব্য দিয়ে জবাব দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু এটি কোনো বিচক্ষণ রাজনৈতিক কৌশল নয়। গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য জামায়াতের সংকটকে আরও গভীর করেছে।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনী মাঠে না থাকার মতো অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে ৩১ শতাংশ ভোট পাওয়ার পর যদি জামায়াত মনে করে যে, ১৯৭১ সালের স্মৃতি মানুষের মন থেকে মুছে গেছে এবং ক্ষমা না চেয়েও তারা একটি “স্বাভাবিক” রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে, তাহলে সেটিই হবে ১৯৭১ সালের পর তাদের সবচেয়ে বড় ভুল।

আরও

লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টি, স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত

জাতীয়

লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টি, স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দুপুর থেকেই রাজধানীজুড়ে চলছে মুষলধারে বৃষ্টি। হঠাৎ ভারী বর্ষণে স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকার...

২০২৬-০৭-০৭ ১৮:৫১

ফ্যাসিস্ট সরকারকে দীর্ঘস্থায়ী করতে জড়িত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে

জাতীয়

সংসদে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকারকে দীর্ঘস্থায়ী করতে জড়িত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তা ফ্যাসিস্ট সরকারকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ভূমিকা রেখেছে...

২০২৬-০৭-০৭ ১৮:৫১

চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ঢাকা মেডিকেলের অবদান জাতির জন্য গর্বের: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়

চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ঢাকা মেডিকেলের অবদান জাতির জন্য গর্বের: প্রধানমন্ত্রী

গত আট দশকে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবদান জাতির জন্য গর্বের বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢা...

২০২৬-০৭-০৭ ১৮:৪৮

যাচাই-বাছাই করে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

জাতীয়

যাচাই-বাছাই করে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেসব মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যা...

২০২৬-০৭-০৭ ১৮:১৯

গ্রামপর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়

গ্রামপর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, চলতি বছরে গ্রামপর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরক...

২০২৬-০৭-০৭ ১৭:৪৫

'আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল, অক্টোবর থেকে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন'

জাতীয়

'আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল, অক্টোবর থেকে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন'

আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং ২০২৭ সালের অক্টোবরের মধ্যে সব ধাপের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে বলে...

২০২৬-০৭-০৭ ১৭:৩৮