ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে একটি হেডে গোল করার প্রচেষ্টায় হুয়ান মুসোর বুটের সাথে সংঘর্ষ হয় ফারমিন লোপেজের। এতে তার ঠোঁট কেটে যায়। ড্রেসিংরুমে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কাতালোনিয়ায় ফিরেই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কারণ সেখানে জরুরি সেলাইয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ইনফেকশন এড়াতে ফারমিন লোপেজকে এখন বাধ্যতামূলকভাবে থাকতে হবে বিশ্রামে।
এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠলেও একে একটি দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখছেন অ্যাতলেটিকো গোলরক্ষক হুয়ান মুসো। পেনাল্টির দাবি নাকচ করে দিয়ে মুসো বলেন, ‘এটা কীভাবে পেনাল্টি হয়? সে নিজেই আমার পায়ে এসে ধাক্কা খেয়েছে। আমি গোল বাঁচানোর জন্য স্বাভাবিক মুভমেন্ট করছিলাম, সে নিচু হয়ে হেড দিতে গিয়ে আঘাত পায়। ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে আঘাত করার কোনো প্রশ্নই আসে না।’
মুসো পরবর্তীতে তার ইন্সটাগ্রামে লোপেজের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে তার কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এই ঘটনায় বার্সেলোনা শিবিরে বইছে ক্ষোভের হাওয়া। ক্লাবের সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা মিডিয়ার সামনে সরাসরি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি সহ্য করার মতো নয়।’ উল্লেখ্য, একই সপ্তাহে লোপেজের কপালও একবার কেটে গিয়েছিল, যা তার জন্য এই সপ্তাহটিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে যন্ত্রণাদায়ক করে তুলেছে।
চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ৩-২ অ্যাগ্রিগেটে বিদায় নেওয়ার পর বার্সেলোনার এখন একমাত্র লক্ষ্য লা লিগা শিরোপা। লিগ টেবিলে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে থাকা কাতালানরা আগামী বুধবার সেল্টা ভিগোর মুখোমুখি হবে। ফারমিন লোপেজ সেই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।