আজ রবিবার দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এই রায় প্রদান করেন। দন্ডিত রিগান হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সকাল ১১ টার সময় শোলমারী গ্রামের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী ভিকটিম তেরঘরিয়া গ্রামে তার নানাবাড়ি বেড়াতে এসে একটি দোকানের পাশে খেলা করছিল। রিগান তাকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে একটি ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় ভিকটিম রক্তাক্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
পরে প্রতিবেশিরা জানতে পেরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়। সেখানে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করেন। এঘটনায় ভিকটিমের চাচা শাহাবুদ্দিন বাদি হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রিগান আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে। মামলায় ৬ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যে সন্দেহতীত ভাবে দোষী প্রমাণীত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদন্ড দেন।
আদালতে বাদী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম শাহীন ও রাস্ট্র পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।