শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খালিদ হাসান উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর কয়রা গ্রামের মো. রহিম সরদারের ছেলে।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, ১৭ দিন আগে খালিদ হাসানের সাথে গোবরা গ্রামের তৈয়ব আলীর মেয়ে সানজিদা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়। শুক্রবার রাতে খালিদ ও তার স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ি গোবরা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। রাত আনুমানিক সড়ে ১০টার দিকে শ্বশুরবাড়িতে ঘরের মধ্যে তার গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, খালিদের স্ত্রী সানজিদা খাতুন বাইরে থেকে ঘরে প্রবেশের জন্য দরজায় গিয়ে বন্ধ দেখতে পান। পরে জানালা দিয়ে উকি মেরে খালিদকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেন একপর্যায়ে আশে পাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার চেষ্টা করলে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
তবে কী কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাশেদুল আলম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে আত্নহত্যা করেছে রহস্য উদঘটনের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে।