সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনার দাবি করছে, কিন্তু তেহরান তা অস্বীকার করছে। চলমান যুদ্ধের পর ইরান কৌশলগতভাবে আরও দৃঢ় অবস্থানে এসেছে এবং তার লক্ষ্য শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান তেলের মূল্য ও হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির প্রধান গ্যাস স্থাপনা ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রতিশোধ জানিয়েছে।
মধ্যস্থতাকারী দেশ ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আলোচনা চললেও পারস্পরিক আস্থাহীনতা ও সামরিক বাস্তবতা বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নতুন প্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলকাদরের নিয়োগ কৌশলগত ও সামরিক প্রভাব বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও আঞ্চলিক প্রভাব ইরান সহজে ছাড়বে না, ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ সীমিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পরিস্থিতি সামলাতে সামরিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া বাধ্যতামূলক হতে পারে।