বার্তা সংস্থা রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরুরি পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে দ্রুততার সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা যায়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন বলেই কংগ্রেসের বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া এড়িয়ে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চুক্তির আওতায় কাতারের জন্য প্যাট্রিয়ট বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মোট মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলার। একইভাবে কুয়েতের জন্য সমন্বিত যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা সরবরাহ করা হবে। এসব চুক্তির সঙ্গে জড়িত রয়েছে বিএই সিস্টেমস, আরটিএক্স করপোরেশন, লকহিড মার্টিন এবং নর্থরপ গ্রুম্যান।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠায় মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ।
তবে মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ঘিরে আগে থেকেই সমালোচনার মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সামরিক সহায়তা নীতি।