এদিকে খুলনায় পদ্মা মেঘনা যমুনা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন- বিপণন নিয়ে সকালে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। এর মধ্যে ডিপোগুলোতে নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্প মালিক শ্রমিকরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে রবিবার সকাল থেকে চাহিদামত তেল সরবরাহের কথা বললেও ডিপো থেকে এখনো চাহিদার অর্ধেক বা এক- তৃতীয়াংশ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। পূর্বের মতো রেশনিং পদ্ধতিতে সকালে পদ্মা তেল ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হলে ডিপো কর্তৃপক্ষের সাথে পেট্রোল পাম্প মালিক শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা পদ্মা গেটে অবস্থান নিয়ে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেয়।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা বলছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত চাহিদা মত ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তেল উত্তোলন বন্ধ থাকবে। খুলনায় সকল ডিপো থেকে আপাতত তেল উত্তোলন বিপণন বন্ধ রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।