বুধবার (৭ অক্টোবর) কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসরুর উল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার অনুষ্ঠিত কলেজের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে শহরে পাল্টাপাল্টি মিছিল করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে কেসি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা ছিল। তবে কলেজ ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করায় অনুষ্ঠানটি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
কেসি কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহবুব ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে কলেজ ক্যাম্পাসে শিবিরের উদ্যোগে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে অতিথিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর ছাত্রদলের সঙ্গে ঝামেলার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে কলেজ প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। প্রশাসন অনুমতি দিলে অনুষ্ঠান হবে, অনুমতি না দিলে হবে না।
কেসি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজ বলেন, শিবিরের এক কর্মী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন বলে তারা জানতে পারেন। পরে শিবির নেতৃবৃন্দকে পোস্টটি মুছে ফেলতে বলা হলে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়।