মঙ্গলবার (১২ মে) গণভবনে স্থাপিত এই জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন ‘গণভবন’কে জাদুঘরে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। বেলা ১১ টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ও সংস্কৃতি মন্ত্রী প্রকল্পটির কাজের অগ্রগতি দেখতে সেখানে যান।
পরিদর্শন শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, হাসিনা ও তার সরকার কতো বড়ো মাফিয়া ও খুনি ছিলো, এই জাদুঘর তা প্রজন্মকে মনে করিয়ে দেবে। শেখ হাসিনার মাফিয়া সাম্রাজ্য ও খুনের নির্দেশনা—সবই থাকবে এখানে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা যে তার খুনিদের সরাসরি হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, তার কল রেকর্ডও এই জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকবে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, এই জাদুঘর অনাগত বাংলাদেশের এক বিশাল সম্পদ। যতোদিন এটি থাকবে, মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ওপর ঘৃণা প্রকাশ করবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান যুগ যুগ ধরে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তার বক্তব্যে বলেন, এই জাদুঘর ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তির প্রতিবিম্ব হয়ে থাকবে।
গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের কাজ শুরু হওয়ার প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও এর পূর্ণাঙ্গ কাজ শেষ হয়নি। তবে সংস্কৃতি মন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ে সংস্কার কাজ শেষ করে জুলাইয়ের শেষে বা আগস্টের শুরুতেই এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।