তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-
‘আওয়ামী লীগের কিছু কর্মীর কাণ্ডকীর্তি দেখে বিস্মিত হই। অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর আপনারা এভাবে হামলা করতে পারলেন? নিজেরাই তা ফলাও করে প্রচার করলেন, নিজেরাই অকাট্য সাক্ষী রাখলেন!
এখন যদি আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হবে। সেটা আপনাদের জন্য ভালো হবে? আপনাদের পরিবারের জন্য বিষয়টা ভালো হচ্ছে?
ভাই, কার জন্য করেন এসব? নতুন বেশে সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেখে? আপনারা সত্যি বিশ্বাস করেন, তার বা তার মায়ের হৃদয় কাঁদে আপনাদের জন্য? সত্যি বিশ্বাস করেন, আপনাদের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন তারা?
সত্যি বিশ্বাস করেন, আপনাদের করুণ পরিণতি হলে কোনো সাহায্য করবেন তারা?
নিজেকে বিপন্ন করার ও দেশের সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা বাদ দেন। দলকে ভালোবাসলে আপনারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিদেশে কাজ করেন। কেন বাংলাদেশের সব স্তরের মানুষ নিজের জীবন বিপন্ন করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল, গোপনে হলেও তা বোঝার চেষ্টা করুন। দলের স্বার্থপর নেতাদের প্রশ্ন করেন।
সবচেয়ে আগে নিজেকে নিরাপদ রাখেন। ২ বছর আগে জেনেভায় আমার বিরুদ্ধে মব করার পর আমার সুযোগ ছিল ব্যবস্থা নেওয়ার। আমি নিইনি। কিন্তু এরপর আপনাদের কেউ কেউ আরও অনেক বেশি নোংরা ও বেপরোয়া হয়েছেন।
এসব সহ্য করার মতো নয়।’