তবে সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন বিষয়ে আমরা শিগগিরই নোটিশ দেব। নোটিশের মাধ্যমে সংসদের ভেতরেই বিষয়টির সমাধান করতে চাই। কিন্তু কোনো কারণে যদি সংসদে জনগণের এই প্রত্যাশার বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আমাদের রাজপথে আন্দোলনে যেতে হতে পারে। তবে আমরা সেটি চাই না।
তিনি বলেন, আজ যেহেতু বিষয়টি উত্থাপন করেছি এবং স্পিকার তা বিবেচনায় নিয়ে নোটিশ দিতে বলেছেন, সেই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি এগোতে পারে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, আমরা এটিকে কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকের বিষয় মনে করি না। এটি হাউজের বিষয় এবং হাউজেই এর সমাধান হওয়া উচিত। এরপর যদি সরকার পক্ষ থেকে অন্য কোনো আলোচনা আসে, তখন আমরা তা বিবেচনা করব।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংবিধানে তো ২০২৬ সালের ভোটের বিষয়টি ছিল না। যদি প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার সংবিধানের বাইরে গিয়েও মানা হয়, তাহলে একটি অংশ মানা হবে আর অন্যটি মানা হবে না—এটা হতে পারে না। মানলে দুটিই মানতে হবে, আর না মানলে দুটিই না মানতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি কথা আছে—‘পাবলিক ওপিনিয়ন সুপ্রিম কনস্টিটিউশন’। গণভোটে জনগণ তাদের মতামত দিয়েছেন। গণভোটের দাবি সরকার পক্ষেরও ছিল, আমাদেরও ছিল। পার্থক্য ছিল শুধু সময় নিয়ে—আমরা আগে চেয়েছিলাম, তারা একই দিনে চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের দাবিই বাস্তবায়ন হয়েছে। গণভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে প্রস্তাব বিজয়ী হয়েছে।
এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী ৩০ পঞ্জিকা দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করেন।