মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক জানান, জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “মাদকের সঙ্গে জড়িতরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।”
শহরের শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখলমুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পর্যায়ক্রমে পায়রা চত্বর, আরাপপুর, হামদহ, মর্ডান মোড়, ট্রাক টার্মিনাল, বাস টার্মিনাল, শহীদ মিনার এলাকা, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এবং ‘ট’ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। পাশাপাশি নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নারী ও পুরুষদের জন্য আধুনিক গণশৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সরকারি দপ্তরগুলোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, আদালত চত্বর, সদর হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস, বিআরটিএ, ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দালালচক্র দমন এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এছাড়াও তিনি অবৈধভাবে আবাদি জমির মাটি কাটা বন্ধ, ইটভাটায় মাটি বিক্রি নিয়ন্ত্রণ, সরকারি গাছ কাটা প্রতিরোধ, সরকারি অফিসে দুর্নীতি কমানো এবং ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন ঝিনাইদহকে ঢেলে সাজাতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে স্থানীয়দের মতে, ঘোষিত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ঝিনাইদহ শহর ধীরে ধীরে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য মডেল শহরে পরিণত হবে।