চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। এ উপজেলায় জীবননগর ফিলিং স্টেশন, নাসিম ফিলিং স্টেশন, পিয়াস ফিলিং স্টেশন, উৎসব ফিলিং স্টেশন ও অংগন ফিলিং স্টেশন নামে ৫টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। জ্বালানি তেলের সংকটের কারনে অধিকাংশ সময় তেল পাম্প বন্ধ থাকছে। ডিপো থেকে কোন একটি পাম্পে তেল আসলে জীবননগর ও এর আশপাশের উপজেলার মানুষ সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন। তেল নিতে ৩-৪ কিলোমিটার লম্বা লাইন দেখা গেছে। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে কাঙ্খিত তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেকের।
তেল নিতে আসা মানুষের মধ্যে অনেকেই চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও অন্যান্য পেশার সাথে যুক্ত রয়েছেন। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন সারাদিন যদি পাম্পে কাটে তাহলে অন্যান্য কাজ কখন করবো? এদিকে অতিরিক্ত ভিড়ের কারনে তেল দিতে পাম্প কতৃপক্ষের হিমসিম খেতে হচ্ছে। মাঝে মধ্যে পাম্প কতৃপক্ষ ও তেল নিতে আসা মানুষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। তীব্র গরমের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ফজরের নামাজ পড়ে এসে সিরিয়ালে দাড়িয়েছি। ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করছি। সিরিয়াল রেখে কোথাও যেতে পারছি না। এদিকে মাঠে অনেক কাজ পড়ে আছে।
আনোয়ার হোসেন নামের এক মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৪ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরে পাম্পের কাছে এসে শুনছি তেল ফুরিয়ে গেছে। তেল পেলাম না অথচ দিনটাই মাটি হয়ে গেলো।
আব্বাস উদ্দিন নামের এক চাকুরিজীবী বলেন, ফুয়েল কার্ড নেওয়া জন্য একবার লম্বা লাইন দিয়ে সারাদিন পার করলাম। এখন আবার তেল নেওয়ার জন্য পাম্পের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা। জানিনা এই ভোগান্তির শেষ কবে হবে?